রাত ৯:৫৪ | শুক্রবার | ৫ই জুন, ২০২০ ইং | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আলফাডাঙ্গায় ভাঙনে বাড়ি-ঘর, ফসলি জমি মধুমতিতে

সংবাদটি শেয়ার করুন

মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ও টগরবন্দ ইউনিয়নে মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই অঞ্চলের হাজারো মানুষ। এবারের নদী ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি-ঘর, মসজিদসহ শত শত একর ফসলি জমি। ঝুঁকিতে রয়েছে- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, সড়ক, খেলার মাঠ, বাড়িঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, বসতভিটাসহ ফসলি জমি নদীতে তলিয়ে গেছে। আর কয়েক দিনের মধ্যেই হয়তো নদীগর্ভে চলে যাবে ৫৮নং বাজড়া-চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজড়া-চরপাড়া সড়কসহ অনেক বসতভিটা।

এদিকে টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের অনেকাংশ নদীতে চলে গেছে। এ ইউনিয়নের চরআজমপুর মৌজার প্রায় ৭৫ ভাগ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চরডাঙ্গা, রায়েরপানাইল গ্রামের বাড়িঘর, গাছপালা, ফসলি জমি বিলীন হয়েছে নদীগর্ভে।

এলাকাবাসী জানায়, জিও ব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী কোনো বাঁধের ব্যবস্থা করলে হয়তো বেঁচে যাবে বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা, বসতভিটাসহ ফসলি জমি।

তাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব এ ভয়াবহ নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে দেয়ার।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) সন্তোষ কর্মকার বলেন, ‘তাৎক্ষণিক গুরুত্ব বিবেচনা করে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। সারাদেশেই নদী ভাঙন আছে, তাই হঠাৎ করে কোনো প্রকল্প নেয়া সম্ভব না। তবে ভাঙন এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা পাউবোর রয়েছে। এ ব্যাপারে হিসাব-নিকাশ করে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আলফাডাঙ্গায় ভাঙনে বাড়ি-ঘর, ফসলি জমি মধুমতিতে

» অনন্য উচ্চতায় শেখ হাসিনা

» সংবাদ প্রকাশের জের মাদককারবারির হামলায় আহত সাংবাদিক মুজাহিদ

» আলফাডাঙ্গায় জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় ইউপি সদস্যকে হত্যার হুমকি

» আলফাডাঙ্গায় উন্নয়ন মেলা শুরু

» তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ও তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদকে বনপা’র অভিনন্দন

» আলফাডাঙ্গায় গরীব-দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

» আলফাডাঙ্গায় বিজয় দিবস উদযাপন

» ছাত্রলীগে ঠিকাদার, কাশিয়ানিতে মহাসড়ক অবরোধ

» আলফাডাঙ্গা পৌরসভা ও তিন ইউপি নির্বাচনে প্রার্থিতা বাছাই সম্পন্ন

» “নেশা মুক্ত সমাজ গড়ি এসো সবাই খেলা ধুলা করি” BWFA

» গোপালপুর ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ প্রার্থী ইনামুলের মনোনয়ন দাখিল

» “স্মৃতিচারণ”

» গোপালপুর ইউপিতে নৌকার মাঝি হলেন ইনামুল হাসান

» আলফাডাঙ্গা পৌরসভা ও তিন ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত


সম্পাদক : মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম
প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন
সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
01738106357,01715473190,01985082254
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।

রাত ৯:৫৪, ,

আলফাডাঙ্গায় ভাঙনে বাড়ি-ঘর, ফসলি জমি মধুমতিতে

সংবাদটি শেয়ার করুন

মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ও টগরবন্দ ইউনিয়নে মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই অঞ্চলের হাজারো মানুষ। এবারের নদী ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি-ঘর, মসজিদসহ শত শত একর ফসলি জমি। ঝুঁকিতে রয়েছে- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, সড়ক, খেলার মাঠ, বাড়িঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, বসতভিটাসহ ফসলি জমি নদীতে তলিয়ে গেছে। আর কয়েক দিনের মধ্যেই হয়তো নদীগর্ভে চলে যাবে ৫৮নং বাজড়া-চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজড়া-চরপাড়া সড়কসহ অনেক বসতভিটা।

এদিকে টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের অনেকাংশ নদীতে চলে গেছে। এ ইউনিয়নের চরআজমপুর মৌজার প্রায় ৭৫ ভাগ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চরডাঙ্গা, রায়েরপানাইল গ্রামের বাড়িঘর, গাছপালা, ফসলি জমি বিলীন হয়েছে নদীগর্ভে।

এলাকাবাসী জানায়, জিও ব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী কোনো বাঁধের ব্যবস্থা করলে হয়তো বেঁচে যাবে বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা, বসতভিটাসহ ফসলি জমি।

তাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব এ ভয়াবহ নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে দেয়ার।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) সন্তোষ কর্মকার বলেন, ‘তাৎক্ষণিক গুরুত্ব বিবেচনা করে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। সারাদেশেই নদী ভাঙন আছে, তাই হঠাৎ করে কোনো প্রকল্প নেয়া সম্ভব না। তবে ভাঙন এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা পাউবোর রয়েছে। এ ব্যাপারে হিসাব-নিকাশ করে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ




সম্পাদক : মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম
প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন
সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
01738106357,01715473190,01985082254
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।